গত দুদিনেও একটুও কমেনি রিমেল ঝড়ের তীব্রতা। প্রতিবেশি সুমন ভাই আজও বাসায় ফেরেনি
অফিসের কি একটা বিশেষ কাজে আটকে গেছে চট্টগ্রামে। ৩২ বছরের রিনা ভাবি তার ১৭ বছরের কাজের ছেলেটাকে নিয়ে ফ্ল্যাটে যথারীতি একা। এদিকে আবার চলছে লোডশেডিং।
আজও যথারীতি রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে পাশের ফ্ল্যাট থেকে ভেসে এলো ভাবির মুখ চাপা আহ, উহ শিৎকার আর খাট কাপানো ঠাপের পকাৎ পকাৎ আওয়াজ! একটা সময় বৃষ্টি কমে এলো কিন্তু টানা ৩০ মিনিটেও রিনা ভাবির এই আওয়াজ কমলো না। এসব আওয়াজে উত্তেজনা চাপিয়ে রাখা বেশ মুস্কিল। আমার নববিবাহিতা স্ত্রী সুমনা কয়েকবার বলি বলি করেও কিছু জিজ্ঞেস বললো না।
একটা সময় যেন তার ধৈর্যের বাধ ভেঙ্গে গেল। সুমনা হঠাৎ বলেই ফেললো রিনা ভাবিটা কি নির্লজ্জ দেখেছো? কই তুমি যখন ট্যুরে যাও আমিতো এমন শব্দ করিনা! সেবার তুমি যখন থাইল্যান্ড গেলে সে রাতে আমার বন্ধু ফেরদৌস এসে সারারাত ফ্ল্যাটে থাকলো, আমি তো নির্লজ্জের মতো এমন আওয়াজ করিনি! আমিতো ঠিকই বালিশ চাপা দিয়ে নিজের মুখটা বন্ধ করে রেখেছিলাম! ফেরদৌস কি ওই কাজের ছেলেটার চেয়ে কোন অংশে কম ছিল বলো? রিনা ভাবির কি কোন লাজ লজ্জা নেই?

0 Comments