প্রতিদিন গভীর রাতে ধর্ষণের শিকার হন তানিশা


😮😮
প্রতিদিনই ঘুম ভাঙার পরে সে বুঝতে পারে তাঁর সাথে সেক্স করা হয়েছে। প্রতিদিন ফ্লোরে ঘুম ভাঙার পরে সে দেখতে পায় প্রটেকশন ও প্রটেকশনের প্যাকেট ফ্লোরে রয়েছে ।
প্রতিদিন তানিশা প্রটেকশন এর প্যাকেট সহ প্রটেকশন ফ্লোর থেকে তুলে ফেলে দেয়।



কিন্তু তাঁর সাথে জোরপূর্বক কোন ধর্ষণ করা হয়নি এটা শিওর তানিশা। মনে হয় যেন তাঁর ইচ্ছে তেই সে ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। জোরপূবক ধর্ষণ করা হলে শরীরে কোন হাতাহাতির বিষয় লক্ষ্যনীয় থাকতো কিন্তুক তেমনটা হয়নি।
😒😒








প্রতিদিনই সকালে উলঙ্গ হয়ে বিছানায় পড়ে থাকে তানিশা। তাঁর শরীরের সমস্ত জামা কাপড় মেঝেতে পড়ে থাকে। এলোমেলো চুল বিস্তীর্ণ লুটিয়ে থাকে বিছানার উপর।
কিন্তুক রহস্যের বিষয় এটাই সে যেভাবে রুম আটকিয়ে ঘুমাতে যায় ঠিক সকালে সেভাবেই সে দেখতে পায় রুম আটকানো আছে।




তানিশা বিষয়টা কারো সাথে কখনো শেয়ার করার সাহস করেনি। তবে তাঁদের বাড়িতে এমন কেউ নেই যে এমনটা করবে।
তানিশার সাথে ওর ভাইয়া এমনটা করবে ভাবতেই ওর নিজের ই অপরাধ বোধ জাগ্রত হয়। আমার মায়ের পেটের ভাইয়া সম্পর্কে আমি এসব কি ভাবছি।
তাইলে দাদা। আর দাদা তো বিছানা ছেড়ের উঠতে পারে না তাইলে দাদা.. আবারও মাথা ঘুরায় তানিশার কি সব ভাবছেন।